Successful Blog

সঙ্গীকে হাসিখুশি ও যত্নে রাখুন

প্রিয় মানুষটাকে খুশী করার জন্য মানুষ কত কিছুই না করে। কেননা প্রিয়জনকে হাসিখুশি এবং প্রশস্তিতে রাখতে পারলে জীবন হয়ে ওঠে আনন্দের। কারো প্রিয় পাত্র হয়ে উঠতে হলে আপনাকে অবশ্যই হতে হবে আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী, একই সাথে হৃদয়বান। তবে বিশেষ কিছু বিষয় রয়েছে যা আপনার প্রিয়জনের কাছে আপনাকে করে তুলতে পারে আদর্শ সঙ্গী।
মনে রাখবেন, প্রিয় মানুষটির মন জিতে নেওয়া খুব বেশি কঠিন কাজ নয়। প্রয়োজন শুধু একটু সদিচ্ছা। আসুন জেনে নেয়া যাক প্রিয় মানুষটির মন জিতে নেয়ার ৫টি উপায়।
১. সঙ্গীর খেয়াল রাখুন
সঙ্গীর মন জিতে নিতে চাইলে সঙ্গীর সুবিধা অসুবিধার দিকে খেয়াল রাখা উচিত।
সঙ্গী যত্ন নিতে সে কী খাবে, কখন ঘুমাবে, খিদে পেয়েছে কিনা, ক্লান্ত কিনা, কী প্রয়োজন ইত্যাদি সব বিষয়ের নজর রাখাটা জরুরি। প্রতিদিনের একটু একটু আদর যত্নই ভালোবাসা বাড়িয়ে দেয় অনেক খানি। তাই জীবন সঙ্গীর মন জিতে নিতে চাইলে প্রতিদিন সঙ্গীর সুবিধা অসুবিধার দিকে লক্ষ্য রাখুন।
২. উপহার দিন
উপহার কে না ভালবাসে।পৃথিবীর সব মানুষই জীবন সঙ্গীর কাছ থেকে উপহার আশা করে। সঙ্গীকে মাঝে মাঝে উপহার দিন। বিশেষ দিনে তো বটেও, সাধারন দিলগুলোতেও মাঝে মধ্যে কিছু একটা কিনে আনুন তার জন্য। উপহার দামি হওয়া জরুরি নয়, তবে তার মাঝে থাকতে হবে ভালোবাসার ছোঁয়া। আর কিছু না হোক একটি ফুল নিয়ে তো চমকে দেওয়াই যায় তাই না?
৩. নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলুন
সঙ্গীর মন জিতে নিতে চাইলে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তোলার বিকল্প নেই। কেননা নিজেকে ভালোবাসলে তারপরেই আপনি অন্যকে ভালো রাখতে পারবেন। তাই প্রতিনিয়তই নিজের যত্ন নিন। সেই সঙ্গে জীবন সঙ্গীর পছন্দের সুন্দর পোষাক পরুন এবং সুগন্ধি ব্যবহার করুন। নিজেকে গুছিয়ে রাখলে সঙ্গীর মন জিতে নিতে পারবেন খুব সহজেই।
৪. সঙ্গীর পরিবারকে গুরুত্ব দিন
একটি মানুষকে জীবন সঙ্গী করা মানে নতুন একটি পরিবারের সাথে আত্মীয়তা হওয়া। আপনার সঙ্গীর সব চাইতে কাছের মানুষ তো তারাই। তাই আপনার জীবন সঙ্গীর মন জিতে নিতে চাইলে তার পরিবারের সুবিধা অসুবিধার দিকে লক্ষ্য রাখুন। তাদের বিপদে আপদে সব সময় তাদেরকে সাহায্য করুন। তাহলে আপয়ার জীবন সঙ্গীর মন জিতে নিতে পারবেন সহজেই। এবং একজন মানুষকে জীবন সঙ্গী করা মানেই তার জীবনের সমস্ত স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেওয়া নয়। আপনার জীবন সঙ্গীকে যথেষ্ট পরিমাণে স্বাধীনতা দিন। তাকে তার নিজস্ব জগতটাকে উপভোগ করতে দিন। সারাক্ষণ তার পিছে পিছে না থেকে তাকে তার মত করে জীবনটাকে উপভোগ করতে দিন মাঝে মাঝে। তাহলে আপনার সঙ্গীর মন জিতে নিতে পারবেন আপনি।
৫. হয়ে উঠুন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন
সম্পর্ক মানেই নিজেকে উজার করে দেওয়া নয়। সঙ্গীর কাছে নিজের ব্যক্তিত্বকে উজার করে দিলে একটা সময়ের পর সঙ্গী একঘেয়ে বোধ করে। তাই সঙ্গীর সাথে নিজের ব্যক্তিত্ব বজায় রাখুন। সঙ্গীর প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীল হবেন না। আপনার ব্যক্তিত্ব ও আত্মনির্ভরশীলতা আপনার সঙ্গীকে মুগ্ধ করবে। যাপিত জীবনের নানা ব্যস্ততায় ফুরসত নেই এতটুকু। তবে জীবন অনেকটাই সহজ করেছে প্রযুক্তির নানা পণ্য। মাইক্রোওয়েভ ওভেন তেমনই এক পণ্য। রসুইঘরে প্রতিনিয়ত ব্যবহার হওয়া এ প্রযুক্তিপণ্য আশির্বাদস্বরুপ।
জীবনের অন্যতম বড় পরিবর্তনের নাম হলো বিয়ে। এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন একটি পর্বের সূচনা হয়। বিয়ের পরের জীবন কখনোই বিয়ের আগের মতো হবে না। অনেক পরিবর্তন, অনেক নতুনত্ব যোগ হয় বিয়ের পরে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেনে মানিয়ে নিতে না পারলে মুশকিল। তখন একটুতেই বেধে যেতে পারে ঝগড়া।
সম্পর্কে শান্তি এবং স্বস্তি থাকা সবচেয়ে জরুরি। স্ত্রীর সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখাই বুদ্ধিমান পুরুষের কাজ। কারণ ঘরে স্বস্তি থাকলে বিশ্বজয় করাও সহজ হয়ে যায়! তাই হাসিখুশি থাকা এবং পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। বিবাহিত পুরুষকে কিছু বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। কোনো প্রকারের ঝগড়া-ঝাটি হলে তা দ্রুত মিটিয়ে ফেলতে হবে। জেনে নিন স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার উপায়-তার বন্ধু হোন

প্রেমিকও নাকি বিয়ের পর আর প্রেমিক থাকেন না, স্বামী হয়ে যান! আসলে প্রেমিক থাকাকালীন তো খুব বেশি দায়িত্ব পালন করতে হয় না, যেটা বিয়ের পরে চলে আসে। ফলস্বরূপ, বিয়ের পরে কিছু পরিবর্তন আসেই। তবে স্বামী কিন্তু চাইলেই প্রেমিক হতে পারেন। স্ত্রীর ভালো বন্ধু হয়ে উঠলে সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। তখন আপনার সমস্যাগুলো আপনার স্ত্রীও সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন। তার যত্ন নিন

আপনার স্ত্রী আপনার জীবনেরই অংশ। তাকে অযত্নে ফেলে রাখবেন না। তার যত্ন নিন। কারণ অযত্নে ফেলে রাখা কিছু সুফল বয়ে আনতে পারে না। স্ত্রীর যত্ন নিলে সেও আপনাকে একইভাবে ভালোবাসবে। আপনি তাকে অনুভব করতে দিন সে আপনার কাছে কতটা প্রিয়, কতটা ভালোবাসার। এতে দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা আরও বাড়বে।

দুজনে মিলে ঘর পরিষ্কার করুন

সুস্বাস্থ্য ধরে রাখার জন্য ঘরের ভেতরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। ব্যস্ততায় হয়তো সময় হয় না, তবে ছুটির দিন দেখে দুজনে মিলে ঘর পরিষ্কার করার কাজে নেমে পড়ুন। এতে সহজেই ঘর পরিষ্কার হবে। আবার একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে দুজনের বোঝাপড়াও ভালো হবে। বাড়বে ভালোবাসাও। ঘরদোর পরিষ্কার থাকলে কিন্তু ভালো থাকে মনও।

রান্নাঘরে সময় কাটান

হতে পারে আপনার স্ত্রী আপনার চেয়ে ভালো রান্না জানে। তাই বলে রান্নাটাকে তার একতরফা কাজ হিসেবে ধরে নেবেন না। রান্নাঘরে তার সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। এতে সে কতটা কষ্ট করে আপনার জন্য রান্না করে তা আপনি অনুভব করতে পারবেন। আবার আপনাকে পাশে পেয়ে তারও ভালোলাগা বৃদ্ধি পাবে।

প্রেমিক হয়ে উঠুন

স্ত্রীর প্রেমিক হয়ে উঠুন। প্রায় সব স্ত্রীই স্বামীর কাছে এটি আশা করে। স্ত্রীর প্রেমিক হয়ে উঠতে না পারলে দিনশেষে সম্পর্কে টান থাকবে না। তাই আপনার ছোট ছোট কাজ কিংবা কথা দিয়ে তাকে খুশি করার চেষ্টা করুন। তার ভালোলাগার বিষয়গুলো আবিষ্কার করার চেষ্টা করুন। এতে সমস্যারা আপনাদের থেকে দূরে পালাবে।

আমাদের প্যাকেজ এর লিংক:   moonmarriagemedia.com/packages 


সিভি/বায়োডাটা পাঠান এই ই-মেইলে: biodata@moonmarriagemedia.com

পছন্দের জীবনসঙ্গী/ জীবনসঙ্গিনী খুঁজে পেতে বা বিয়ে সংক্রান্ত যে কোনো প্রয়োজনে ফেসবুক পেইজে ইনবক্স করুন অথবা +8801716204097 নম্বরে কল/হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: www. moonmarriagemedia.com 

We may use cookies or any other tracking technologies when you visit our website, including any other media form, mobile website, or mobile application related or connected to help customize the Site and improve your experience. learn more