বিয়ে এক ধরনের সামাজিক বন্ধন । এর মাধ্যমে একজন পুরুষ অপর একজন মহিলার সাথে ইসলামিক ও সামাজিকভাবে বৈধতা দেয়া হয় । আজ আমরা আলোচনা করব একজন প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের বিয়ে করতে কি কি লাগে, এই বিষয় নিয়ে ।
বিয়ের কাজ সম্পাদন করতে হলে কিছু নির্দিষ্ট বিষয় ও নিয়ম কানুন মেনে এই কাজটি সম্পন্ন করতে হয়। বিয়ের মাধ্যমে একে অপরের সাথে মিলন ঘটানোর নিয়ম । তাই সবার জানা উচিত বিয়ে করতে কি কি লাগে।
বিয়ে করতে কি কি লাগে এই আলোচনার সাথে আরও যা থাকছে সেটা হল, কোর্ট ম্যারেজ কি এর খুঁটি নাটি সব বিষয় । আমাদের সাথেই থাকুন । বিস্তারিত জানতে পারবেন এই লেখায় ।
বিবাহ হল দুটি ব্যক্তির মধ্যে একটি আইনগত এবং সামাজিকভাবে স্বীকৃত মিলন । এর মাধ্যমে তাদের মধ্যে অধিকার এবং বাধ্যবাধকতা প্রতিষ্ঠা করে। এটি একটি সাংস্কৃতিকভাবে সর্বজনীন রীতি ।ইতিহাস এবং সংস্কৃতি জুড়ে বিবাহের রীতি যুগ যুগ ধরে চলে আসছে ।
আধুনিক সময়ে, বিবাহকে প্রায়ই একটি রোমান্টিক এবং মানসিক অংশীদারিত্ব হিসাবে দেখা হয় । যেখানে দম্পতি প্রকাশ্যে একে অপরের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করে ।এবং তাদের বাকি জীবনের জন্য একে অপরকে সমর্থন করার অঙ্গীকার করে।
বিবাহের কার্যক্রম সুনির্দিষ্ট ধর্ম, সংস্কৃতি এবং আইনি ব্যবস্থার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে । সাধারণত বিবাহ একজন পুরুষ এর সাথে একজন মহিলার জীবন সঙ্গী হবার একটি মজবুত ভিত্তি তৈরি করে । একে অপরকে পছন্দের মাধ্যমে জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে বিবাহ অপরিহার্য ।
বিয়ে সাধারনত বর বা কনের বাড়ীতে হয়ে থাকে । আবার কেউ চাইলে কাজী অফিসে যেয়ে ও বিয়ের
আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পারে ।বাংলাদেশী মুসলিম পরিবার বিভিন্ন জায়গায় বিবাহ সম্পন্ন করে থাকে ।এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে তাদের আর্থিক অবস্থা ও ইচ্ছার উপর ।
বাংলাদেশে বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য কিছু সাধারণ স্থানের মধ্যে রয়েছে:
মসজিদ: অনেক মুসলমান তাদের বিয়ের কাজ সম্পন্ন করতে মসজিদ কে পছন্দ করে। ইসলামে মসজিদ পবিত্র জায়গা হিসেবে বিবেচিত হয়। মসজিদ বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ এবং আধ্যাত্মিক পরিবেশ প্রদান করে থাকে।
কমিউনিটি সেন্টার: বাংলাদেশী মুসলিম বিবাহের জন্য আরেকটি জনপ্রিয় স্থান হল কমিউনিটি সেন্টার । এই জায়গা অতিথিদের জন্য পছন্দ অনুযায়ী সজ্জিত করা হয়ে থাকে।
অস্থায়ী স্থান: বাংলাদেশে মুসলিম বিবাহের জন্য বিবাহের অনেকে নিজেদের বাড়ির আঙিনা অথবা বাড়ির ছাদ ব্যাবহার করে থাকে । বিভিন্ন ধরনের ক্যাটারিং সার্ভিস এসব অনুষ্ঠান এবং অভ্যর্থনার জন্য আরও বিলাসবহুল ব্যাবস্থা করে থাকে ।
চাইনিজ হোটেলঃ যারা একটু ভাল পরিবেশ আশা করে তাদের জন্য নিরিবিলি হতে পারে এই জায়গা ।
এসব যায়গায় আগে থেকে বুকিং দিতে হয় ।
কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে: বিয়ে সামাজিক রীতি বা সরকারি আইন অনুযায়ী সম্পাদনা করতে হয়। কাজী অফিসে গেলে কাজী সাহেব বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন ।
বিয়ে করাটা একেবারে সহজ মন হলেও অনেকেই জানেন না বিয়ে করতে কি কি লাগে । এমন অনেকেই আছেন যারা এখনো জানে না যে কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করতে কি কি লাগে ?
আবার কোর্ট ম্যারেজ কি ভাবে কোথায় করতে হয় এবং এর জন্য কি কি লাগে ? আসুন জেনে নেই কোর্ট ম্যারেজ ও কাজী অফিসে গিয়ে বিয়ে করতে কি কি লাগে ? খরচ কত ? সব কিছু একসাথে।
আমাদের প্যাকেজ এর লিংক: moonmarriagemedia.com/packages
ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট: www. moonmarriagemedia.com